গাকৃবিতে সেলফ অ্যাসেসমেন্ট জরিপের ফলাফল নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

গাকৃবিতে বিএস (কৃষি) প্রোগ্রামের সেলফ অ্যাসেসমেন্ট জরিপের ফলাফল উপস্থাপন / ছবি - এই বাংলা

গাজীপুর প্রতিনিধি :


গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের লক্ষ্যে ‘বিএস (কৃষি) প্রোগ্রামে সেলফ অ্যাসেসমেন্ট জরিপের ফলাফল উপস্থাপন’ শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ কর্মশালাটি হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের অর্থায়নে এবং উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক (এসপিএম) প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়ার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী।

কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. নাসিমুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় কী-নোট স্পিকার হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গাকৃবির সেলফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. শেখ শামীম হাসান।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাছেত মিয়া। পরে সেলফ অ্যাসেসমেন্ট জরিপের ফলাফল ও এর তাৎপর্য তুলে ধরেন ড. শেখ শামীম হাসান। তিনি তার উপস্থাপনায় বিএস (কৃষি) প্রোগ্রামের শিক্ষাদান, গবেষণা, অবকাঠামো, শিক্ষার্থী সহায়তা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের ওপর পরিচালিত জরিপের বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের সম্ভাবনা ও করণীয় দিক তুলে ধরেন।

প্রবন্ধ উপস্থাপনা শেষে সভাপতির নেতৃত্বে শিক্ষক ও গবেষকদের অংশগ্রহণে একটি উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে সেলফ অ্যাসেসমেন্ট জরিপের ফলাফল, অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, “সেলফ অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে একটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজের শক্তি ও সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে পারে, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও মানোন্নয়নের জন্য কার্যকর দিকনির্দেশনা দেয়।” তিনি বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন অর্জন কেবল একটি স্বীকৃতি নয়; এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, গবেষণা সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন।

তিনি আরও বলেন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে গবেষণা ও আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করতে হবে।

সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মশালার সমাপ্তি ঘটে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here