সেবাগ্রহীতাদের সাথে উত্তম আচরণ করতে হবে: ডিসি জাহিদুল ইসলাম

0
222
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা / ছবি : এই বাংলা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহায়তায় বাস্তবায়িত “বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)” প্রকল্পের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার চট্টগ্রাম টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) সম্মেলন কক্ষে অর্ধ-বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার মোঃ শরীফ উদ্দীন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, “সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে আগত সেবাপ্রত্যাশীরা যেন প্রয়োজনীয় সেবা ও সদাচরণ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। কর্মকর্তাদের আরও মনোযোগী, মানবিক ও সেবামুখী হতে হবে। ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে নিষ্পত্তি না হলে জনগণ বারবার বিভিন্ন অফিস ও আদালতে ঘুরতে হয়। তাই স্থানীয় পর্যায়ে বিচারিক সেবা কার্যকর করা জরুরি।”

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা ইপসা’র সহকারী পরিচালক ফারহানা ইদ্রিস। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপপরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ফরিদুল আলম।

সভাপতির বক্তব্যে উপপরিচালক মোঃ শরীফ উদ্দীন বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ পর্যায়ে সরকারের নীতি বাস্তবায়নের প্রধান প্রতিষ্ঠান। জনগণ যেন সরকারি সেবা সহজে পায়, সে জন্য পরিষদের সেবা পরিবেশ আরও উন্নত করতে হবে। ছোটখাটো অপরাধ ও বিরোধ নিষ্পত্তিতে চেয়ারম্যানদের আইনগত ক্ষমতা যথাযথভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।”

সভায় জানুয়ারি থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলার ১৯১টি ইউনিয়নের ১০ মাসের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার সাজেদুল আনোয়ার ভূঁঞা। পরবর্তী মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজীব কান্তি রুদ্র, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফখরুল ইসলাম, ছদাহা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা নুরুল আবছার এবং লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা খায়রুল আসলাম।

সভায় জেলার ১৫টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ১৯১টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here