বাগেরহাট প্রতিনিধি :
সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনদস্যু দমন এবং মোংলা বন্দরের নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের চলমান বিশেষ অভিযানে দস্যু কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে বলে জানা গেছে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনে দস্যুতা নির্মূলে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানের অংশ হিসেবে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বনদস্যু আটক এবং জিম্মি বনজীবীদের উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানের ফলে সুন্দরবনের বিভিন্ন সক্রিয় দস্যু চক্রের কার্যক্রম ব্যাহত হয় এবং কয়েকটি গোষ্ঠী আত্মসমর্পণেও বাধ্য হয় বলে দাবি করা হয়।
এদিকে, কোস্ট গার্ডের নতুন স্টেশন স্থাপনকে কেন্দ্র করে দস্যুদের লজিস্টিক ও কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় সম্প্রতি জয়মনির ঘোল এলাকায় একটি স্টেশনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
স্থানীয় বনজীবীদের মতে, দস্যুদের প্রভাব কমে যাওয়ায় তারা প্রতিশোধমূলকভাবে এ ধরনের হামলা চালাতে পারে। ঘটনাটির পর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে নৌবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ তদন্ত ও অভিযান চলছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের নৌপথ, বনজীবী ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অবৈধ মাছ আহরণ, বন্যপ্রাণী পাচার এবং নৌপথে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলমান এই কার্যক্রমকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

