বরিশাল প্রতিনিধি :
দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়–এর ৬০ শিক্ষক নতুন করে হতাশ হয়েছেন সিন্ডিকেটের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় পদোন্নতির বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে আগে সংবিধি প্রণয়নের পর তা বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পদোন্নতির জন্য পৃথক সংবিধি প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তবে পদোন্নিপ্রত্যাশী শিক্ষকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলমের সভাপতিত্বে বেলা ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত সভায় মোট ১৪ জন সদস্য অংশ নেন। এর মধ্যে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদসহ আটজন সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং ছয়জন ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এবারের সভায় আনুষ্ঠানিক কোনো অ্যাজেন্ডা না থাকলেও মূল আলোচনায় উঠে আসে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদোন্নতির নীতিমালা বা সংবিধি প্রণয়নের বিষয়টি। তবে ৬০ শিক্ষকের পদোন্নতির ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় সিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যেও ভিন্নমত দেখা দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, “এই সভা থেকে শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। ভবিষ্যতেও হবে কি না, তা নিয়ে আমি আশাবাদী নই।”
এদিকে উপাচার্য মোহাম্মদ তৌফিক আলম দাবি করেন, সিন্ডিকেটের দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করেই পদোন্নতির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে আন্দোলনরত শিক্ষকদের অভিযোগ, সংবিধি প্রণয়নের কথা বলে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদেকুর রহমান বলেন, “সিন্ডিকেট পদোন্নতির বিষয়ে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এখন শিক্ষকেরা পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করবেন।”
এই বাংলা/এমএস
টপিক

