সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি :
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন কবলিত মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে শুরু হলো স্থায়ী সমাধানের প্রথম ধাপ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের ছনকা এলাকায় ৪২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে অস্থায়ী প্রাক-প্রতিরক্ষামূলক কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কাজের উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা। নদী রক্ষা বাঁধের এই কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয় ছনকা এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী বলেন, “মানিকগঞ্জের প্রতিটি নদী ও জনপদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। আজ জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের কাজ শুরু হলো। ধাপে ধাপে জেলার সব নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” এ সময় তিনি আরও জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২য় পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়েও সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
উদ্বোধন শেষে ছনকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। তিনি স্থানীয়দের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব ও জনবান্ধব। খাল খনন ও বিভিন্ন কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে।” তিনি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে সব ধরণের কোন্দল ও রাজনীতি পরিহার করারও কড়া নির্দেশনা দেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সভাপতিত্ব ও উপস্থিতিবৃন্দ: মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম।
আরও উপস্থিত ছিলেন: জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান। সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌমিতা গুহ ইভা। অফিসার ইনচার্জ মোশারফ হোসেন।
সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ খান মজলিশ মাখন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সরকার,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আজাদ(বিপ্লব),সাটুরিয়া উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি বরকত মল্লিকসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্পে ৮০ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লক্ষ টাকা। এর ফলে ছনকা এলাকার বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

