সশস্ত্র বাহিনী দিবস আজ: সাহস, সম্মান ও ঐতিহ্যের গৌরবময় স্মারক

0
279
সশস্ত্র বাহিনী / প্রতিকি ছবি - লোগো

ডেস্ক নিউজ :

আজ ২৭ নভেম্বর—সশস্ত্র বাহিনী দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্যময়। ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়, যা স্বাধীনতার পথে এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেয়। তাই দিনটি এখনও সাহস, দেশপ্রেম ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে উদযাপিত হয়।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

সকালে দেশের সব সেনানিবাস, নৌঘাঁটি ও বিমান ঘাঁটির মসজিদে ফজরের নামাজের পর বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এতে দেশের শান্তি, উন্নতি এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিখা অনির্বাণে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন ও আক্রমণের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি তিন বাহিনীর সদস্যরাও সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

নৌবাহিনীর ‘অপারেশন জ্যাকপট’, বিমানবাহিনীর আক্রমণ অভিযান, এবং সেনাবাহিনীর সম্মুখযুদ্ধ— সবই স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আজকের বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দেশের সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ মোকাবিলা, মানবিক সহায়তা ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে।

আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত প্রশিক্ষণ ও পেশাদারিত্বের কারণে বাহিনী এখন আরও শক্তিশালী ও সক্ষম। নারী সদস্যরাও সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দেশ-বিদেশে সফলতার সঙ্গে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর একটি। কঠিনতম মিশনগুলোতেও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা দক্ষতা, সাহস ও মানবিকতার উদাহরণ স্থাপন করে চলেছেন।

২১ নভেম্বর: ঐতিহ্য ও ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি – সাহস, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ব—এই তিন ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী আজ দেশের গর্বের প্রতীক। সশস্ত্র বাহিনী দিবস তাই শুধু অতীতের স্মৃতি নয়, ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিও বয়ে আনে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here