স্টাফ রিপোর্টার :
মৎস্য অধিদপ্তর-এর শীর্ষ দুই কর্মকর্তাকে ঘিরে প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জিয়া হায়দার চৌধুরীকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্র জানায়, ৫ আগস্ট ২০২৪-এ শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মোহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পরিবর্তন এলেও মৎস্য অধিদপ্তরের শীর্ষ পদে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি—এমন দাবি সংশ্লিষ্টদের।
জানা গেছে, মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফ গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ চাকরি জীবন শেষে পিআরএলে (অবসরোত্তর ছুটি) যান। তবে পিআরএলে যাওয়ার ১০ দিন পর, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাকে প্রথম গ্রেডের মহাপরিচালক পদে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত পুনঃনিয়োগ দেওয়া হয় বলে সূত্রের দাবি। এই পুনঃনিয়োগকে ঘিরে দপ্তরজুড়ে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
এদিকে, বঙ্গবন্ধু ফিশারিজ পরিষদের ঢাকা বিভাগের কোষাধ্যক্ষ ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী মহাপরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য বিভিন্ন মহলে তদবির করছেন—এমন আলোচনা দপ্তরের ভেতরে শোনা যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ৪ আগস্ট ২০২৪ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময়, যখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল, তখন মৎস্য ভবনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংসদ ভবনের লেকে পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির আড়ালে ‘শেখ হাসিনাতেই আস্থা’ শিরোনামে একটি সমাবেশে অংশ নিতে বলা হয়েছিল—এমন অভিযোগও রয়েছে।

অন্যদিকে, জিয়া হায়দার চৌধুরী মৎস্য অধিদপ্তরের সর্ববৃহৎ প্রকল্প ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’-এর প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

