মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে দাখিল হওয়া মোট ২৭টি মনোনয়নপত্র পরীক্ষা শেষে ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ১৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুন আরা সুলতানা যাচাই-বাছাই শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধান অনুযায়ী যাচাই শেষে যেসব মনোনয়নপত্রে ত্রুটি পাওয়া গেছে, সেগুলো বাতিল করা হয়েছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
মানিকগঞ্জ–১ আসন : এই আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আলী বেপারী এবং জনতার দলের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহজাহান খানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বিএনপির এস এ জিন্নাহ কবীর, জামায়াতে ইসলামীর ডা. আবু বকর সিদ্দিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হক তোজা, বাংলাদেশ মাইনোরিটি কমিউনিটির দিলীপ কুমার দাস, ইসলামী আন্দোলনের মো. খোরশেদ আলম, গণঅধিকার আন্দোলনের মো. ইলিয়াস হোসেন এবং খেলাফত মজলিসের হেদায়েত উল্লাহ।
মানিকগঞ্জ–২ আসন : এ আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবিদুর রহমান ও আব্দুল হক এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী এস এম আবদুল মান্নানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
অন্যদিকে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান (শান্ত), খেলাফত মজলিসের মো. সালাউদ্দিন এবং ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ–৩ আসন : এই আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান আতা, স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ও ফারুক হোসেন এবং এবি পার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জনির মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির আফরোজা খানম (রিতা), জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসাইন, জেপির আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ জাসদের মো. শাহজাহান আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল ইসলাম খান (কামাল), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলস এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শামসুদ্দিন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আরও জানান, যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

