
পটুয়াখালী প্রতিনিধি :
পটুয়াখালী জেলা সদর উপজেলার আউলীয়াপুর ইউনিয়নের পাঁচাকোড়ালিয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত দেশের নবম ইপিজেড— বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) অধিভুক্ত পটুয়াখালী ইপিজেড—কে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাকরি ও বিভিন্ন সেবা প্রাপ্তির জোরালো দাবি উঠেছে।
আউলীয়াপুরের ২ নম্বর ওয়ার্ডসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা জানান, ইপিজেড প্রতিষ্ঠার ফলে যারা জমি হারিয়েছেন বা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পরিবারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরির সুযোগ দিতে হবে। তাদের ভাষ্য, “ইপিজেডে প্রথমে কাজ পাবে স্থানীয় মানুষ, পরে দূর-দূরান্ত থেকে লোক আনা হবে।”
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, শিক্ষিত যুবক-যুবতী, কর্মহীন মধ্যবয়সী ও দরিদ্র পরিবারের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি না হলে সামাজিক অসন্তোষ বাড়তে পারে। তাই যোগ্যতার ভিত্তিতে নিজ এলাকার নারী-পুরুষদের নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করেই সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংশ্লিষ্টরা সবাইকে সতর্ক করে বলেছেন, কোনো প্রকার দালাল বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে নয়—প্রার্থীদের নিজ দায়িত্বে সরাসরি অফিসে নথিপত্র জমা দিতে হবে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
এদিকে পটুয়াখালীর এলএ (ভূমি অধিগ্রহণ) শাখা অফিসকে ঘিরে একটি দালাল চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কিছু অসাধু ব্যক্তি ভূমিহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সরলতার সুযোগ নিয়ে ঘুষ ও প্রলোভনের মাধ্যমে নথিপত্র প্রক্রিয়াকরণের নামে প্রতারণা করছে। অফিসের সামনে বিভ্রান্তিকর ডিজিটাল ব্যানার টানিয়ে প্রচারণা চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ঘুষ বা দালালের মাধ্যমে চাকরি বা কোনো সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই। দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে পটুয়াখালী ইপিজেডে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও যোগ্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং কর্মসংস্থানে ন্যায়সঙ্গত সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক
