পটিয়ায় দেড় যুগেও মেরামত হয়নি গ্রামীণ সড়ক, সীমাহীন দুর্ভোগে মানুষ

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

 

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে টানা তিনবার সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের সামশুল হক চৌধুরী। তখন শুধু উন্নয়ন কাজের মৌখিক বুলি শুনা যেতো।

অথচ পটিয়ার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কের বেহাল দশার চিত্র তুলে ধরছে সাধারণ মানুষ। উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের তিয়ারকুল- পশ্চিম গৈড়লা সুরেশ্বরানন্দ সড়কটি দীর্ঘ দেড় যুগেও সংস্কার করা হয়নি। ফলে গ্রামীণ ওই সড়কে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে এলাকার লোকজনকে।

হিন্দু অধ্যুষিত এলাকার এ সড়কটি তৎকালীন এমপি সামশুল হক চৌধুরী সংস্কার করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা করেননি। বর্তমানে রিকশা চলাচল পর্যন্ত করা অনেক কষ্টকর। সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাতে পুরো এলাকা নির্জন থাকে। সন্ধ্যা হলেই এই সড়কে নানা অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

জানা গেছে, উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের পশ্চিম গৈড়লা গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রাম। এ গ্রামটি হিন্দু অধ্যুষিত হলেও আশপাশে রয়েছে মুসলমান সম্প্রদায়ের অসংখ্য বসতি। তিয়ারকুল- সুরেশ্বরানন্দ সড়কটি দেড় যুগও সংস্কার করা হয়নি।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

প্রতি বছর বর্ষা মওসুমে সড়কের বেহাল পরিস্থিতির কারণে চলাচল করা যায়না। প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কে ইট উঠে গিয়ে ছোট ছোট গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে রিকশা পর্যন্ত চলাচল করতে কষ্টকর। দুর্ভোগের কারণে এলাকার অনেক পরিবার বাড়ি ছেড়ে শহরে ভাড়া বাসায় থাকছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরামের আজীবন সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী পলাশ ধর জানান, তাদের এলাকাটি খুবই অবহেলিত। দীর্ঘ ১৮ বছর তিয়ারকুল-পশ্চিম গৈড়লা সুরেশ্বরানন্দ সড়কের সংস্কার করা হয়নি৷ যার কারণে মানুষের ভোগান্তি হচ্ছে। যার কারণে অনেক পরিবার বাড়ি ছেড়ে ভাড়া বাসায় থাকছেন। সড়কটি দ্রুত সংস্কার দরকার।

হোমিওপ্যাথি ডাক্তার রতন চক্রবর্তী জানান, বর্ষা মওসুম এলেই পশ্চিম গৈড়লার গ্রামীণ সড়কটিতে চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। স্থানীয় তৎকালী এমপি প্রতিশ্রুতি দিলেও এ সড়কটি সংস্কার করেননি। গ্রামবাসী পটিয়ার এমপি এনামুল হক এনামের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং সড়কটি সংস্কার দরকার।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here