নাসির নগরে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে আনন্দ

0
124
নাসির নগরে আমন ধানের বাম্পার ফলন / ছবি : এই বাংলা প্রতিনিধি

নাসির নগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসির নগর উপজেলায় শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার ব্যস্ত মৌসুম। চারদিকে সোনালি ধানের দোল আর নতুন ফসল ঘরে তোলার আনন্দে কৃষকসহ পুরো অঞ্চলে বইছে খুশির হাওয়া। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে এখন চলছে সোনালি ধানের উৎসব, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-শ্রমিকরা।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

নাসিরপুর গ্রামের কৃষক রবিউল হোসেন জানান, তিনি ৬ বিঘা জমিতে ব্রি-৩৪ ও ব্রি-৫১ জাতের আমন ধান আবাদ করেছেন। চিকন ধানে বিঘাপ্রতি ২০-২২ মন এবং মোটা ধানে ৩০-৩২ মন ফলনের আশা করছেন তিনি। সার ও কীটনাশকের দাম বেশি হলেও ভালো ফলন এবং বাজার দর ঠিক থাকলে লাভ হবে বলে মনে করছেন তিনি।

বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামের কৃষক আক্কাস আলী জানান, আড়াই বিঘা জমিতে ব্রি-৫১ জাতের ধান করেছেন এবং বিঘাপ্রতি ২৮-৩০ মন ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন। মোটরসেচসহ খরচ কিছুটা বেশি হলেও ফলনে তিনি সন্তুষ্ট।

কৃষকদের মতে, এ বছর আবহাওয়া ছিল অনুকূল। পর্যাপ্ত রোদ ও সঠিক তদারকির কারণে ধানের ফলন গত বছরের তুলনায় আরও ভালো হয়েছে। বিঘাপ্রতি ২৫-৩২ মন পর্যন্ত ফলন পাচ্ছেন তারা। ফলে কৃষকদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে স্বস্তি ও উৎসবের আমেজ।

ধান কাটার মৌসুমে কৃষি শ্রমিকের চাহিদাও বেড়েছে। পুরুষ শ্রমিকরা দিনপ্রতি ৬০০-৭০০ টাকা এবং নারী শ্রমিকরা ৪০০-৫০০ টাকা মজুরি পাচ্ছেন, যা তাদের জন্যও স্বস্তির।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান শাকিল জানান, আগাম ও মধ্যমেয়াদী আমন ধানে এ বছর ফলন খুবই ভালো হয়েছে। সময়মতো সার ও কীটনাশক সরবরাহ, মাঠ তদারকি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের অনুপস্থিতিতে কৃষকরা ভালো ফসল পাচ্ছেন। বিশেষ করে ব্রি-৩৪ সুগন্ধি জাতের ধানে রোগ-পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় উৎপাদন আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here