নাটোরে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

মরদেহ উদ্ধার / প্রতিকি ছবি

নাটোর প্রতিনিধি :

 

নাটোর সদর উপজেলায় পৃথক দুই ঘটনায় এক রিকশাচালক ও এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার সকালে উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলি এলাকা থেকে এক রিকশাচালকের মরদেহ এবং ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে এক বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া এলাকার মৃত হীরালাল দাসের ছেলে ও রিকশাচালক কমল কুমার দাস (৩৯) এবং রায় আমহাটি এলাকার মৃত ইদ্রিস আলী খানের ছেলে মোতালেব হোসেন (৬৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় রিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি কমল কুমার দাস। রাতে স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তেবাড়িয়া ইউনিয়নের জংলি ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন একটি পুকুরে তার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

নিহতের ভাই অমল কুমার দাস জানান, কমল মাঝে মাঝে মদ্যপান করতেন। ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত মদ্যপানের পর বাড়ি ফেরার পথে অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে, শনিবার রাত ১০টার দিকে সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি এলাকায় মোতালেব হোসেনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের ছোট ছেলে চুন্নু আলম দাবি করেন, তার বাবা ধারালো ছুরি দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন। কী কারণে তিনি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা পরিবারের সদস্যদের জানা নেই।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here