ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু, দেড় লাখ টাকায় মীমাংসা

0
159
ছবি - সংগৃহীত

নোয়াখালী প্রতিনিধি :


নোয়াখালীর হাতিয়াতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য রোগীর স্বজনদের দেড় লাখ টাকা দিয়ে চুক্তিপত্রও করিয়েছে অভিযুক্ত পল্লী চিকিৎসক—এমন অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

বুধবার (১৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের টাংকি রাস্তার মাথায় অবস্থিত ‘নিরাপদ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে’ এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুর নাম আবু সায়েদ (৪)। সে চানন্দী ইউনিয়নের থানারহাট এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ডান পায়ে টিউমারের সমস্যার জন্য বিকেলে আবু সায়েদকে নিরাপদ মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর টিউমার অপারেশনের কথা বলে শিশুটির শরীরে পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন হাবিব প্রায় ২০টি ইনজেকশন পুশ করেন। এরপর শিশুটির শারীরিক অবনতি ঘটতে থাকে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে সে মারা যায়।

পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন

পরে মরদেহ নিয়ে স্বজনেরা পুনরায় মেডিকেল সেন্টারে আসলে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হয় এবং উপস্থিত লোকজনের সামনে লিখিত চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফার্মেসির সঙ্গে সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করে দীর্ঘদিন ধরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করছে হাবিবসহ একটি চক্র। এতে অসহায় মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে পল্লী চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন হাবিবের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমি জানান, “এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here