ডাবল স্ট্যান্ড নিয়ে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের পক্ষে আমরা নই: কুড়িগ্রামে ত্রাণমন্ত্রী

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :

 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোঃ আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘ভিন্ন মতটাকেই গণতন্ত্র বলা হয়। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী; কিন্তু ডাবল স্ট্যান্ড নিয়ে শরিয়াহ আইন বাস্তবায়নের পক্ষে আমরা নই। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। মানুষ যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছেন, সেটি যথাযথভাবে পালন করতে চাই।’

আজ রোববার বিকেলে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী। এর আগে দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের আরাজী পলাশবাড়ী এলাকায় তিনি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

মতবিনিময় সভায় ত্রাণমন্ত্রী জানান, কুড়িগ্রামকে এখনো পশ্চাৎপদ জেলা হিসেবে দেখা হয়। তিনি বলেন, একটি তিস্তা নদীর কারণে একটি জনপদ কীভাবে পশ্চাৎপদ হয়ে পড়েছে, রংপুর বিভাগ তার উদাহরণ। অথচ নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা গড়ে ওঠার কথা ছিল।

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সফি খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজার রহমান খন্দকার টিউটর এর সঞ্চালনায় মতবিনিময়সভায় কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান ও শফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এবং কুড়িগ্রাম পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ আবু বকর সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

কুড়িগ্রামকে উন্নত জেলার কাতারে নিতে জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম উভয়ের দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে করেন ত্রাণমন্ত্রী। তিনি জানান, সাংবাদিকেরা সঠিকভাবে সমালোচনা করলে জনপ্রতিনিধিরা সঠিক পথে থাকেন।

এতে দেশ ও জনপদের উন্নয়ন হয়। তিনি বলেন, সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ করা উচিত নয়। নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশিত হলে সাংবাদিকতার মান যেমন বাড়ে, তেমনি এলাকার উন্নয়নও ত্বরান্বিত হয়।

এর আগে সকালে লালমনিরহাটের বাসভবন থেকে সড়কপথে কুড়িগ্রামে পৌঁছান ত্রাণমন্ত্রী। পরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান নালিয়ারদোলা এলাকা পরিদর্শন শেষে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here