গাজীপুর প্রতিনিধি :
গাজীপুরের সদর উপজেলার তরৎপাড়া গ্রামে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) ‘কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প’-এর আওতায় উন্নত জাতের পানিকচুর সম্প্রসারণ বিষয়ে এক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ১৬ জুলাই আয়োজিত এ মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন বারির পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের পানিকচুর চাষ হলেও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত পানিকচুর ৯টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত গলাধরামুক্ত, সহজে ও সমানভাবে সিদ্ধ হয় এবং উচ্চ ফলনশীল। তিনি বলেন, বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজির সরবরাহ কমে গেলে কচুর লতি ও অন্যান্য কচুজাতীয় ফসল দেশের সবজির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শামসুল আলম। তিনি বলেন, কচুর লতি বর্তমানে সব শ্রেণির মানুষের কাছে জনপ্রিয় একটি সবজি। দেশে উৎপাদিত মোট কচুর প্রায় এক-চতুর্থাংশই কচুর লতি, যা এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও বাজার চাহিদার প্রমাণ বহন করে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প’-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, কচু আয়রনসমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর ফসল। বিশেষ করে কচুর লতি রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। উন্নত জাতের চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।
এ সময় বারির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফেরদৌসী বেগম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, স্থানীয় কৃষক, সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী এবং প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মাঠ দিবসে উন্নত জাতের পানিকচুর বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ পদ্ধতি ও উৎপাদন বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল কৃষকদের সামনে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কৃষকরা এসব উন্নত জাতের পানিকচুর চাষ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

