খানাকুনিয়ারি ফাজিল মাদ্রাসার সামনে দুই যুগের দুর্ভোগ: সুপারি গাছের সাঁকোই এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভরসা

পিরোজপুরের খানাকুনিয়ারি ফাজিল মাদ্রাসা / ছবি - এই বাংলা

পিরোজপুর প্রতিনিধি :

 

পিরোজপুর জেলার সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়নের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপীঠ খানাকুনিয়ারি পি ই আর সি ফাজিল মাদ্রাসা। হাদিস যুগ থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি ইসলামী শিক্ষা বিস্তারে ও শিক্ষার মান উন্নয়নে অত্র এলাকায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বর্তমানে এই প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি চরম অবহেলা ও অবকাঠামোগত সমস্যার সম্মুখীন।

মাদ্রাসার ঠিক সামনেই রয়েছে দুটি স্লাবের পোল, যা দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। দেখার কেউ না থাকায় এই দীর্ঘ সময়ে কোনো সংস্কারের ছোঁয়া লাগেনি এখানে। যেখানে এক সময় হাজার হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ মুখরিত থাকতো, আজ সেখানে যাতায়াত সমস্যার কারণে নেমে এসেছে শিক্ষার্থী শূন্যতা।

ভাঙা পোলের কারণে কোমলমতি শিশু ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখন সুপারি গাছ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বিরাজ করছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

অত্র এলাকার উন্নয়নকামী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব এম এ নকিব নাছরুল্লাহ্ বিষয়টি পিরোজপুর-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য জনাব মাসুদ সাঈদীর নজরে আনেন এলাকাবাসীর দুর্ভোগ এবং ঐতিহ্যবাহী এই মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। সংসদ সদস্য জনাব মাসুদ সাঈদী বিষয়টি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছেন এবং খুব শীঘ্রই এই স্লাবের পোল দুটি নতুন করে নির্মাণের জোরালো আশ্বাস প্রদান করেছেন।

মাদ্রাসার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পোল দুটি দ্রুত পুনর্নির্মিত হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন হবে এবং প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে আশা করছেন কদমতলা ইউনিয়নবাসী। সেই সাথে গ্রামবাসীর মুখে ফুটবে দীর্ঘ প্রতিক্ষিত হাসির ঝলক।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here