কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়নের চক কবিরাজি গ্রামের উসমান গরের রেল গেইটের উত্তর পাশে আধুনিক যন্তপ্রাতিক আখ ফেরার মিশিন দিয়ে আখ ফেরিয়ে গুর, লালি,খর,রস তৈরি করছেন স্থানীয় কৃষক পারভেজ আলী ও তার পরিবার।
মনু নদীর বাদে উঠতেই চোখে পড়ে সবুজের সমারোহ। আছে হলুদের ছড়াছড়ি। এ যেন এক সবুজ আর হলুদ বিপ্লব। শত শত একর জমিতে আখের বাগান দেখা যায়।
ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন এখানকার কৃষকরা। কেউ সবজি আবার কেও কেও আখ কাটছেন।আখ কেটে আখ ফসল টি তাদের আখ ফেরার মিশিনে নিয়ে প্রতিদিন রাত আখ ফেরে রস, গুর,লালি বিক্রি করে যাচ্ছেন।
যানা যায় স্থানীয় কৃষক পারভেজ আলী ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেছেন,এবং তিনি নিজেও এক জন কৃষক তাই প্রতি দিন তিনি এই আখ কৃষি খামার থেকে লালি ১৮০,গুর ২০০,রস ৫০ টাকা করে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার টাকা বিক্রি করেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সরজমিনে ১৮ জানুয়ারী রবিবার বিকেলে কমল গঞ্জ উপজেলার পতনউষা ইউনিয়ন এর উসমানগর রেল গেইটের পাশে দেখা যায় এক তরুন কৃষক রাস্তার পাশে আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে আখ ফেরিয়ে গুর, লালি,রস তৈরি করছেন।
সরজমিনে মনু নদীর তিরে গিয়ে দেখা যায় কুলাউড়া উপজেলার শরিফ পুর ইউনিয়নের মনু নদীর চরে বিশাল আখ বাগানের এমন চিত্র চোখে পড়ে।
স্থানীয় কৃষক পারভেজ আহমদ বলেন, আখ থেকে বার গুরা ইঞ্জিন দিয়ে গুর ও লালি তৈরী করছেন।আখ থেকে গুর ও লালি ও আখের রস বিক্রি করে তারা সাবলম্বি অচ্ছেন।আমি প্রায় ২ লক্ষ টাকা নিয়ে এই কৃষি কাজে শুরু করেছি আশা করছি আমি এই আখ ব্যবসা থেকে আমি ৫ লক্ষ টাকার মত পাব এবং আমি লাভবান হতে পারবো।
আমি প্রতি দিন এই আখ খামার থেকে রস,লালি,গুর বিক্রি করে প্রায় ১০ হাজার টাকা বিক্রি করে থাকি।সরকার থেকে আমরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছি না।পাইলে আমরা এই কৃষি ক্ষেতে আরও আগ্রহী ও বেশ লাভবান হতে পারতাম।
আমি চাই আমার স্বপ্ন পুরনে এগিয়ে যেতে এটি আমাদের একটি ঐতিহ্যবাহী কৃষি ক্ষেত।আমার সাথে আমার বাবা, মা এই আখ কামারে আমাকে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, আখের এই খামার ও আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ কৃষিকে লাভজনক ও স্বাবলম্বী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

