বরিশাল ব্যুরো :
মহান মুক্তিযুদ্ধে বরিশাল বিভাগের অবদান দেশের ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৭১ সালে ৯নং সেক্টরের অধীনে মেজর এম.এ. জলিলের নেতৃত্বে বরিশাল জেলা ও আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা পাক হানাদার বাহিনীর দখলমুক্ত হয়। বরিশাল শহর ৮ ডিসেম্বর মুক্ত হলেও গৌরনদী সর্বশেষ ২২ ডিসেম্বর মুক্ত হয় বলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি পর্বেই নুরুল ইসলাম মঞ্জুরের বাড়িতে প্রথম সংগঠিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সরবরাহ, প্রশিক্ষণ এবং সংগঠনের কাজ এগিয়ে যায়। এপ্রিল থেকেই বরিশাল শহর ও আশপাশের গ্রামগুলোতে পাকিস্তানি বাহিনী নির্বিচারে হামলা চালায়, যেখানে বহু নিরীহ মানুষ নিহত হয় এবং নারী-পুরুষদের ওপর বর্বর নির্যাতন করা হয়।
বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, পয়সারহাট ও কোটালীপাড়া এলাকায় সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অসামান্য ত্যাগ আজও স্মরণীয়। জেলার ৩৭টি গণকবর সে সময়ের নির্মমতার নীরব সাক্ষী হয়ে আছে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানান, এখনও অনেক প্রকৃত যোদ্ধা সরকারিভাবে স্বীকৃতির অপেক্ষায় রয়েছেন।
তারা মনে করেন, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানতে ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

