ইবি প্রতিনিধি :
উৎসবমুখর আয়োজনে তিন শতাধিক নবীন সদস্যকে বরণ করে নিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) সায়েন্স ক্লাব। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে ‘নবীনবরণ–২০২৫’ অনুষ্ঠিত হয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
অনুষ্ঠানে ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মুস্তফা সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী, লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাফিজুর রহমান, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইনজামুল হক সজল এবং ক্লাবের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি শফিকুল ইসলামসহ ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা।
নবীনবরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নবীনদের অংশগ্রহণে ‘ব্রেইন গেম’ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া পূর্বে অনুষ্ঠিত ‘নিউরন চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতার পুরস্কারও প্রদান করা হয়।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার হোসেন সাকিব বলেন, “আজকের এই নবীনবরণ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি আমাদের বিজ্ঞানচর্চার নতুন অধ্যায়। এখানে উপস্থিত প্রতিটি শিক্ষার্থী নতুন ভাবনা, নতুন কৌতূহল ও নতুন আবিষ্কারের সাহস নিয়ে এসেছে। বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের বিষয় নয়; এটি প্রশ্ন করার অভ্যাস, বুঝতে চাওয়ার সাহস এবং বিশ্বকে দেখার অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গি।”
সভাপতি জুনাইদুল মুস্তফা বলেন, “ইবি সায়েন্স ক্লাবের এবারের ফ্রেশারস রিসেপশন আমাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। রেকর্ডসংখ্যক—৩১০ জনের বেশি শিক্ষার্থী নতুন সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়েছেন, যা ক্লাবের কার্যক্রমের প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতিফলন। নবীনদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ক্লাবকে আরও গতিশীল ও গবেষণামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নে অনুপ্রেরণা যোগাবে।”
প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ইসলামী শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয় সাধন। বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অনেকটা পঙ্গু, আর ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান অন্ধ—এই সত্য উপলব্ধি করেই ইবি সায়েন্স ক্লাব কাজ করছে। আমি বিশ্বাস করি, এই তরুণ প্রজন্ম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময়ই এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগের পাশে থাকবে। তোমরা সবাই মিলে ইতিবাচক, প্রগতিশীল ও গবেষণামুখী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের সামনে উপস্থাপন করো-এই প্রত্যাশাই রইল।”
এই বাংলা/এমএস
টপিক

