নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের শেওড়াউন্দ গ্রামে নদীর পাড় থেকে রাতের আঁধারে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা মূল্যের একটি শিমুল গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে লিটন ব্যাপারী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। গাছটি কেটে রাস্তার পাশে রেখে বিক্রি ও সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেওড়াউন্দ গ্রামে জজ মিয়ার বাড়ির সামনে নদীর পাড়ে থাকা গাছটি রাতের বেলা কেটে ফেলা হয়। পরদিন সকালে নদীর পাড়ে গিয়ে গাছটি দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্থানীয়রা। পরে সিদলী বাজারের শ্যামপুর অটো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের পাশে গাছটি রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছটি সেখানে রেখে অন্য কাঠ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত বিক্রি ও সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। তবে তাদের দাবি, কয়েক দিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, বিষয়টি মীমাংসা বা ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার কাছে সুপারিশ চাইছেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তদবির করছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়রা দ্রুত রাস্তার পাশে রাখা গাছটি জব্দ করে ঘটনার তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটন ব্যাপারীর বক্তব্য এবং উপজেলা প্রশাসনের পদক্ষেপ সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
এই বাংলা/এমএস