পিরোজপুর প্রতিনিধি :
পিরোজপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ও পেশাগত ঐক্য সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী ও ঐতিহাসিক ঈদ-পরবর্তী মিলনমেলা এবং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে পিরোজপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‘পিরোজপুর সাংবাদিক ফোরাম’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে জেলার প্রধান তিনটি সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ একই প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত হয়ে জেলায় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশ ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় একতাবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, পিরোজপুরের সাংবাদিকদের মধ্যে কোনো দূরত্ব বা বিভেদ নেই, বরং সবাই এক এবং অভিন্ন।
এখন থেকে পিরোজপুরকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং যেকোনো সংবাদকর্মীর বিপদে-আপদে যেকোনো পরিস্থিতিতে এই তিনটি সংগঠন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করবে। দেশের কল্যাণ ও সত্যের সন্ধানে এই যৌথ পথচলা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ গুরুত্ব ও মাদার সংগঠন হিসেবে আলোকপাত করা হয় ঐতিহ্যবাহী পিরোজপুর প্রেসক্লাব-এর ওপর।
পিরোজপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ফেরদৌস ওয়াহিদ রাসেলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু জাফরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঐতিহ্যবাহী পিরোজপুর প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জিয়াউল হক জিয়া, পিরোজপুর প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ ও বাংলাভিশন-এর জেলা প্রতিনিধি কুমার শুভ রায় এবং প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক তামিম সরদার।
এছাড়াও পিরোজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি নাসির উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম তালুকদার।
পিরোজপুর সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা গাজী কামরুজ্জামান শুভ্র, উপদেষ্টা এস এম সোহেল বিল্লাহ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ নাসীর উদ্দিন, সহ-সভাপতি মোঃ মাইনুল ইসলাম মামুন ও মোঃ মনিরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন ফকির, দপ্তর সম্পাদক এম এ নকিব নাছরুল্লাহ্ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন পলাশসহ সাংবাদিক ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময় সভার শুরুতে আমন্ত্রিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষভাগে দেশের কল্যাণে জীবন উৎসর্গকারী বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
সবশেষে অত্যন্ত চমৎকার, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে এই ঐতিহাসিক মিলনমেলার সমাপ্তি ঘটে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

