পাবনা প্রতিনিধি :
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় উন্নয়নমূলক কাজের কৃতিত্ব নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সভায় এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি ও সদস্য সচিব ভিপি আব্দুল হাকিম খাঁন অভিযোগ করেন, সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত উন্নয়ন কাজগুলোতে একটি পক্ষ এককভাবে কৃতিত্ব নিচ্ছে, যা সাধারণ জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, রাস্তা বা ভবন, যে কোনো উন্নয়নকাজ উদ্বোধনের সময় ফলক, ব্যানার বা অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের নাম উল্লেখ থাকা উচিত।
তিনি আরও দাবি করেন, ভেড়ামারা থেকে ধানুয়াঘাটা পর্যন্ত সড়কটি বর্তমান সংসদ সদস্যের ডিও লেটারের মাধ্যমে হয়নি। এটি প্রায় এক থেকে দেড় বছর আগে টেন্ডার হওয়া প্রকল্প। অথচ সেখানে বর্তমান এমপির নাম ব্যবহার করে উদ্বোধন করা হয়েছে, যা তিনি “ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর” বলে উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ফরিদপুর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম বকু বলেন, “যখন প্রকল্পটির টেন্ডার হয়, তখন বর্তমান এমপি দায়িত্বে ছিলেন না। এ বিষয়টি নিয়ে সভায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরে ভুল স্বীকার করা হয়েছে।”
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
অন্যদিকে, বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, “উন্নয়ন কাজের কৃতিত্ব নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়া হলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়। সচেতন মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারলেও গ্রামীণ সাধারণ জনগণ সহজেই বিভ্রান্ত হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে ফরিদপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল হাই আল-রাজী বলেন, “এ ধরনের উল্লেখযোগ্য কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
এমপির ডিও লেটার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এমপি হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরে ডিও লেটার দেওয়া স্বাভাবিক বিষয়। ফরিদপুর উপজেলার সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে স্পষ্ট, উন্নয়ন কাজের কৃতিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বাড়ছে। সচেতন মহলের মতে, সঠিক তথ্য প্রকাশ ও অপপ্রচার রোধে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি।
সূরা মুনাফিকুন এ বলা হয়েছে, “মুনাফিকরা মুখে সত্যের সাক্ষ্য দিলেও আল্লাহ সাক্ষ্য দেন, তারা মিথ্যাবাদী।”জেনে-শুনে মিথ্যা প্রচার করা গুরুতর অপরাধ ভণ্ডামি ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা মুনাফিকির লক্ষণ,ইসলামে মিথ্যা অপপ্রচার কঠোরভাবে নিন্দিত।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

