কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখি ঝড়ে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরোধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর রাতে প্রবল ঝড়ো হাওয়ায় জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বড় গাছ উপড়ে পড়ে, বিশেষ করে চরাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, ঝড়ে টিনের চাল উড়ে গেছে, অনেকের ঘর ভেঙে পড়েছে। আর্থিক সংকটে পড়ায় ঘর মেরামত নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার কাঁঠাল বাড়ি ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্ৰামের মোঃ খোকন আলী (৫৬) বলেন, ‘গতরাতের হুরকা তুফানে গাছ ভাঙি টিনের চালের উপর পরছে, মুই গরিব মানুষ কী দিয়ে টিন কিনে চাল ঠিক করিম।’
একই ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার মোঃ ইসমাইল হোসেন (৫০) বলেন, ‘রাইতে হঠাৎ ঝড়-তুফানে মোর বাড়ির তিনটি ঘরের টিনের চাল ভেঙে যায়। বর্তমানে টাকা-পয়সা হাতে নাই কী দিয়ে ঘর ভালো করবো। বউ-বাচ্চা নিয়ে কেমন করি থাকমো।’
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি কুড়িগ্রামের উপপরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাঠকমীদের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নেওয়া, হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে কৃষি প্রণদনা দেওয়া হবে।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, কালবৈশাখি ঝড়সহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা মোঃ বেনজীর রহমান বলেন, গত রাতে কালবৈশাখি ঝড়ে জেলায় বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলা গুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে তালিকা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করা হবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

