নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশে কীভাবে ফেনসিডিলের চোরাচালান আসে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার আজমতপুর সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে দেশে মাদকের চোরাচালান আসে, সেগুলোর মধ্যে আজমতপুর গ্রাম বিখ্যাত।
ধরুন কেউ নতুন একটি ব্যবসা শুরু করবেন। এর জন্য প্রথমেই প্রয়োজন পরিকল্পনা ও কিছু অর্থ। কিন্তু আজমতপুর গ্রামের চিত্র ভিন্ন। সেখানে কেউ যদি ব্যবসা শুরু করতে চায়, তাহলে শুধু এক লাখ টাকাই যথেষ্ট। স্থানীয়রা এটিকে ‘কমিশনভিত্তিক ব্যবসা’ বলে থাকেন।
তাহলে যদি চাপাইনবয়াবগঞ্জ জেলার আজমতপুর সীমান্তবর্তী গ্রাম দিয়ে ফেন্সিডিলের চালান আসে তবে বুঝতে হবে প্রশাসনের বড় সিন্ডিকেট দারাই সম্ভব হচ্ছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
এই ফেনসিডিল ময়মনসিংহ ডোকানো কয়টি পয়েন্ট আছে তা পুলিশ জানে – প্রশাসনকে ম্যানেজ না করে মাদক নগরে প্রবেশ করতে পারেনা । কোন এলাকায় এযাবৎ কোন অভিযান হয়নি – খুচরা বিক্রেতাদের ধরে এসে আদালতে প্রেরন করে । ঐ খুচরা বিক্রেতা কার মাদক বিক্রি করে সেই বিষযে কোন প্রদক্ষেপ নেই, গডফাদার কারা মনে হয় জানেন না –
বর্তমানে কোতোয়ালী মডেল থানার সকল অভিসার পূর্বে চাকুরী করে গেছেন তাই সবকিছু তারা অবগত। কার ইশারায় মাদকের অভিযান হচ্ছেনা । নাকি পুলিশ ইউটান নিচ্ছে – ভালো কোন ফলাফল জনগণ দেখছে না।
সবাই বড় বড় সেমিনারে, বড় বড় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সন্ত্রাস মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত ও মাদকমুক্ত নগর চাই ।
বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এর কোন প্রতিফলন নাই।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

