
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে ১১ দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তবে তাঁর নির্বাচনি হলফনামায় আয় সংক্রান্ত তথ্যে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। হলফনামায় ৯ লাখ টাকার পরিবর্তে ২৮ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড়ের এনসিপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম বলেন, হলফনামায় আয়ের তথ্যে যে অসংগতি দেখা গেছে, সেটি একটি টাইপিং মিসটেক এবং অনিচ্ছাকৃত ভুল। তিনি বলেন, “আমাদের আয়কর রিটার্নে দেখানো আয়ের পরিমাণের ক্ষেত্রে একটি ভুল হয়েছে। আমাদের নিযুক্ত অ্যাডভোকেট টাইপ করার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে ৯ লাখ টাকার জায়গায় ২৮ লাখ টাকা লিখে ফেলেন। বিষয়টি সেদিন জেলা প্রশাসকও উল্লেখ করেছিলেন এবং আইনানুগভাবে সংশোধন করে নতুন করে সংশ্লিষ্ট পাতা বা হলফনামা দাখিল করতে বলেছিলেন। আমরা পরবর্তীতে ভুল সংশোধন করে সঠিক কাগজপত্র জমা দিয়েছি।”
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের দলের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। সারজিস আলম বলেন, “নির্বাচনের আগেই যদি ক্ষমতা, পেশিশক্তি ও কালোটাকার দাপট দেখানো হয়, তাহলে আগামীর নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।”
চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “গত এক থেকে দেড় বছরে যদি কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে, তাহলে যে শাস্তি দেওয়া হবে, আমি তা মেনে নেবো। কিন্তু আওয়ামী লীগের পেইড এজেন্ট হিসেবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে যারা প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক
