সাটুরিয়া প্রতিনিধি :
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দড়গ্রাম ইউনিয়নে প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। দড়গ্রাম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে এ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
মুন্নু ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগিতায় আয়োজিত এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে আফরোজা খানম রিতা বলেন, “মানিকগঞ্জের অনেক মানুষ দূরত্ব কিংবা আর্থিক সমস্যার কারণে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হন। তাদের কথা ভেবে আমরা হাসপাতালকে তাদের দোরগোড়ায় এনে দিয়েছি। এই বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প সারা বছরই চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও জানান, মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তার বাবা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর স্বপ্ন ছিল অসহায় মানুষের কাছে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া—হাসপাতালটি সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।
দিনব্যাপী ক্যাম্পে স্থানীয় নারী–পুরুষ ও শিশু মিলিয়ে ৪ হাজারেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধও দেওয়া হয়।
ক্যাম্পে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকরা সেবা দেন। উপস্থিত ছিলেন— মুন্নু মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল করিম, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. জুলফিকার আহমেদ আমিন, ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. বোরহান উদ্দিন আহমেদ, অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা. মনিরুজ্জামান মানিক, ডেন্টাল সার্জন ডা. কুদরত-ই-হাসান, সহকারী অধ্যাপক ডা. জেসমিন আরেফিন, মানিকগঞ্জ বিএমএর সভাপতি ডা. বদরুল আলম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ডা. জিয়াউর রহমান প্রমুখ।
অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল করিম বলেন, “আফরোজা খানম রিতার নির্দেশনায় এই সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে এই বিনামূল্যের চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।”
স্বাস্থ্যসেবার আয়োজনকে সফল করতে জেলা ও উপজেলা বিএনপি, যুবদল, কৃষকদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করেন। এছাড়া পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও ছিল চোখে পড়ার মতো।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

