সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি :
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন,”খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। কৃষকদের পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছেন।”
সোমবার (১১ মে) বিকেল ৫টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার গাজিখালী নদীর সংযোগস্থল হতে চন্দ্রখালী খাল হয়ে বালিয়াটি পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, “খাল খনন সঠিক সময়ে শেষ করা হবে। কোনো শ্রমিক সংকট হবে না; প্রয়োজনে দলীয় নেতা-কর্মীরাও সরাসরি মাটি কাটায় অংশ নেবেন।”
পরে সাটুরিয়া বাসস্ট্যান্ডে এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আফরোজা খানম রিতা বলেন, “আমরা দেশে আইনের সুশাসন গড়ে তুলব। গত ৮০ দিনেই আপনারা পরিবর্তনের আভাস পেয়েছেন। নারীদের জন্য অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ার ব্যবস্থা করা হবে।
মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে সকল দলের সমন্বয়ে মাদকবিরোধী কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সাটুরিয়া ও বালিয়াটি ইউনিয়নের এই প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ২,৮৩,২৭,৬২৩ টাকা। প্রাক্কলিত মাটি কাটার পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩০,০৬,০১২ ঘনফুট। প্রকল্পটিতে শ্রমিকদের মজুরি বাবদ ১,৪০,৭১,৮৬৯ টাকা এবং নন-ওয়েজ কস্ট বাবদ ১,৪২,৫৫,৭৫৪ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। ১১ মে শুরু হওয়া এই কাজ আগামী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে (৪০ কার্যদিবস) শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম, সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুছ খান মজলিশ মাখন এবং সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার খান। এছাড়াও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের মূল দলসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন— যুবদল, ছাত্রদল, কৃষক দল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, তাঁতি দল এবং জিয়া পরিষদ—এর বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।
পুরো কর্মসূচি ও মন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সাটুরিয়া থানা পুলিশ নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিশেষ করে সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন এবং ওসি (তদন্ত) প্রোটোকল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তাদের সুশৃঙ্খল তদারকিতে পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

