কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে গলায় কংক্রিটের টুকরা বাঁধা অবস্থায় গৃহবধূ গোলাপির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব-১৩-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকার সাভার উপজেলার দক্ষিণ রাজাশান ও আইচানোয়াদ্দা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন—মামলার প্রধান আসামি মো. হাসিনুর রহমান (৪৬), ৩ নম্বর আসামি মো. আব্দুল মতিন (৪৫) এবং ৬ নম্বর আসামি মো. রহমত আলী (৫৫)।
গত ৩০ জুলাই রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের পুরাতন যাদুরচর এলাকার একটি ডোবা থেকে গোলাপির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি রৌমারী সদর ইউনিয়নের বাওয়াইর গ্রামের প্রবাসফেরত সৈয়দ আলীর স্ত্রী।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
নিহতের স্বামী ও স্বজনদের অভিযোগ, জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে স্বামীর মামাতো ভাইয়েরা তাকে হত্যা করে মরদেহ ডোবায় ফেলে দেয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বেলাল হোসেন বাদী হয়ে রৌমারী থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের দক্ষিণ রাজাশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে প্রধান আসামি হাসিনুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইচানোয়াদ্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল মতিন ও রহমত আলীকে আটক করা হয়।
র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধ দমনে র্যাবের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

