ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় শুরু হয়েছে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকেই নদীতে টহল ও নজরদারি বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে ইলিশ পরিবহন, মজুদ, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয়ও নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞার কারণে কর্মহীন জেলেদের সহায়তায় ঝালকাঠিতে ৪ হাজার ২০০ জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য ১০৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার পুরো ২২ দিন জেলার নদ-নদীতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালানো হবে। মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে জেলেদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সট-১: মো. এনামুল হক, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, ঝালকাঠি।
প্রশাসন জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার পুরো সময়জুড়ে জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ নদীতে জাল ফেললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সট-২: সেগুফতা মেহনাজ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ঝালকাঠি।
দেশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে এই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার পাশাপাশি তা পরিবহন, মজুদ বা বাজারজাত করলে আইনে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এই বাংলা/এমএস