নীলফামারী প্রতিনিধি :
নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বর্তমানে জেলার সাধারণ মানুষের কাছে একজন জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মাঠপর্যায়ের কাজে সরাসরি অংশগ্রহণ, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে জনআস্থার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা—নীলফামারী ও সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশন, ফুটপাত, বাসটার্মিনাল এবং তিস্তার চরাঞ্চলে বসবাসরত শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি তিনি হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হঠাৎ পরিদর্শন, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নকাজের অগ্রগতি তদারকি এবং জরুরি অভিযোগের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তির মাধ্যমে প্রশাসনিক তৎপরতা জোরদার করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের উচ্চ পদে থেকেও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের সমস্যার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং শুধু আশ্বাস নয়—বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
শহরের বয়স্ক নাগরিক তসলিম উদ্দিন বাবু বলেন, “তিনি শুধু অফিসকেন্দ্রিক প্রশাসক নন, মানুষের মধ্যে এসে কাজ করেন। এমন জেলা প্রশাসক আগে দেখিনি।”
এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ, মানবিক সহায়তা, শিক্ষা সহায়তা ও দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ জেলার মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ইতোমধ্যেই ‘জনবান্ধব প্রশাসক’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “আমি প্রশাসক হিসেবে নয়, মানুষের সেবক হিসেবেই কাজ করতে চাই। নীলফামারীর প্রতিটি মানুষের সমস্যা ও উন্নয়নই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার।”
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই মানবিক ও জনমুখী প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নীলফামারী জেলা উন্নয়ন ও মানবিক প্রশাসনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে সারা দেশে প্রশংসিত হবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

