নাঙ্গলকোটে বাড়ী যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রী, আটক-২

কুমিল্লা প্রতিনিধি :

 

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে খালার বাড়ী থেকে সিএনজি যোগে বাড়ী যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী।

গত সোমবার (১৫ জুন) রাতে উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের জাফরের পরিত্যক্ত বাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ৯৯৯ এর ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ জনকে আটক করে।

আটককৃতরা হলেন, বক্সগঞ্জ মোল্লা বাড়ীর জয়নাল আহম্মদের ছেলে সিএনজি চালক রিয়াজ মোল্লা (২১) ও  অষ্টগ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ফয়েজ আহমেদ (২৬)। একজন পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে নাঙ্গলকোট উপজেলার শুভপুর গ্রাম থেকে সাতবাড়িয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিএনজি যোগে রওনা দেন ওই শিক্ষার্থী।

একপর্যায়ে বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের বোড়রা গ্রামে গেলে তার সিএনজি নষ্ট হয়ে গেছে। এসময় ওই কিশোরীকে সিএনজি চালক রিয়াজ মোল্লা আরেকটি সিএনজিতে উঠিয়ে দেয়। এরপর একটু সামনে গেলে সিএনজি চালক রিয়াজ মোল্লা তার বন্ধু পরিচয়ে জাকিরের ট্যাক নামক স্থানে পৌঁছালে ফয়েজ আহমেদকে সিএনজিতে উঠায়।

এরপর তাকে ফেণীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে চৌদ্দগ্রামের পদ্ময়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরায়। ঘটনারদিন রাত নেমে আসলে বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের জাফরের পরিত্যক্ত বাড়ীতে নিয়ে যায়।

পরে ফয়েজ আহমদ, রিয়াজ মোল্লা ও আকরাম এই তিন বখাটে  কিশোরীকে গণধর্ষণ করে। পরেরদিন সকালে ১৬ মঙ্গলবার এলাকাবাসী খবর পেয়ে ভিকটিমের জবানবন্দির ভিত্তিতে তাকে ফেণীর বাসায় পৌঁছে দেয়। পরে ঘটনাটি তার মাকে জানালে কিশোরীর মাসহ তারা ঘটনাস্থালে এসে ৯৯৯ ফোন দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযান শুরু করে।

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় ভিকটিমের মা একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

অভিযান চালিয়ে দু’ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here