নওগাঁ প্রতিনিধি :
এবার বক্তব্য না দেওয়া সত্ত্বে ও বানোয়াট মনগড়া ও উদ্দেশ্যমুলক সংবাদের বিরুদ্ধে নিন্দা ও অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন নওগাঁ জজ আদালতের বিশিষ্ট্য আইনজীবী কাজী আতিকুর রহমান।
তিনি তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজে পোষ্ট করে ‘নওগাঁর ভূমির রাম রাজত্বে দুই ভাই সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক’শিরোনামের বানোয়াট মনগড়া ও উদ্দেশ্যমুলক সংবাদের বিরুদ্ধে নিন্দা ও অপ-সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন তারা আমার সম্মানে আঘাত করেছেন।
পোষ্ট লিংক https://www.facebook.com/share/p/1CPnLfbJpn/
আইনজীবী কাজী আতিকুর রহমান গত ২২মে তার ভেরিফাইড ফেইসবুক পেজে উল্লেখ করেন,বগুড়া থেকে প্রকাশিত জয়যুগান্তর নামে একটি পত্রিকারগত ২১ মে অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদে তার নাম ব্যবহার করে কিছু বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে যা কোনভাবেই আমার বক্তব্য নয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
আমি জয়যুগান্তরের কোন সাংবাদিকের কাছে কোনকথা বলিনি , সাক্ষাতকার দেইনি। সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কল্লোলের কাছে আমার কখনই কোন কাজ ছিলোনা। আমার অভিযোগ ভূমি সহকারি কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে এবং সেই বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হয়েছে।
আমি মনে করি যে বা যারাই আমার নাম ব্যবহার করে উক্ত সংবাদ প্রকাশ করেছেন তারা অপ সাংবাদিকতা করেছেন।আমার সম্মানে আঘাত করেছেন। আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এদিকে ওই সংবাদে উল্লেখিত হাঁপানিয়া -বক্তারপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি উপ-সহকারি কর্মকর্তা মো: মেহেদী হাসান জানান, সংবাদে কথিত সাংবাদিক ১জন ভূমি সহকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা হয়েছে মর্মে অপপ্রচার করেন।
প্রকৃতপক্ষে ৭৮৮সি/২০২৬(নওগাঁ) মামলায় ২৩৩২৪ নং ক্রমিকে দুইজন সহকারি কর্মকর্তাকে বিবাদী করা হয়েছে।এই সংবাদ সম্পূর্ন্ন ভূযা ও বানোয়াট। কারন মামলায় উল্লেখিত প্রস্তাবিত২৬-৪৬০৩(নামজারি প্রস্তাবকারি আমি নই।উল্লেখিত খারিজ কেসের সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নাই।উক্ত সাংবাদিক মামলার আরজি ও নামজারি নথির তথ্য যাচাই না করেই সংবাদ প্রকাশ করেন।উল্লেখিত বিষয় বস্তুর সাথে আমার বড়ভাই মো: মৌদুদুর রহমানের(কল্লোল)কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।অথচ উদ্দেশ্যমুলকভাবে তাকেও জড়ানো হয়েছে।
একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় আমাদের দুই ভাইয়ের চাকুরীর সুনাম ও পারিবারিক,সামাজিক সম্মান হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে উক্ত ভূয়া ,বানোয়াট সংবাদ প্রচার করা হয়েছে।যা অপ-সাংবাদিকতার নামান্তর।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

