নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের দাবিতে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ১০টার দিকে পায়রা নদীর তীরবর্তী এলাকায় এই কর্মসূচি পালিত হয়।
তালতলী পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির আয়োজনে এবং ওয়াটারকিপার বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত এ মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা, জেলে ও পরিবেশকর্মীরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা ‘যুদ্ধ থামাও, পৃথিবী বাঁচাও’সহ জীবাশ্ম জ্বালানি পরিত্যাগের দাবিসংবলিত বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বহন করেন।
বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা পরিবেশ দূষণ বৃদ্ধির পাশাপাশি মানুষের স্বাস্থ্য, জীবিকা ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে এর প্রভাব আরও তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে।
তাঁরা আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে দেশগুলো। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও পরিকল্পিত ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে জলবায়ু ঝুঁকি আরও বাড়বে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন তালতলী পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির সভাপতি সুলতান আহমেদ, ওয়াটারকিপার বাংলাদেশের তালতলী-আমতলী সমন্বয়ক আরিফুর রহমান, তালতলী চারুকলা একাডেমির পরিচালক রফিকুল ইসলাম অন্তর, পরিবেশকর্মী হাইরাজ মাঝি, জেলে আলমগীর হাওলাদার এবং স্থানীয় বাসিন্দা ফাতেমা বেগম ও রহিমা বেগম।
বক্তারা বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনে চাপ সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো প্রয়োজন। তবে এই রূপান্তর যেন সবার জন্য ন্যায্য হয়—বিশেষ করে জেলে ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ থেকে ২৯ এপ্রিল কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বেরিয়ে আসার পথ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আয়োজকেরা স্থানীয় এই কর্মসূচিকে বৈশ্বিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

