চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ১

0
127
চট্টগ্রামের খুলশীতে ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার / ছবি -এই বাংলা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

 

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ খুলশীর গরীবউল্ল্যাহ হাউজিং সোসাইটির ডেবার পাড় এলাকায় কেডিএস বিল্ডিংয়ের নিচতলার পার্কিং ফ্লোরে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সিরাজ অভিযোগ করেন, তিনি চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার ব্যবসার অগ্রগতি দেখে অভিযুক্ত আহমেদ কবীর দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে অর্থ দাবি করে আসছিল। ঝামেলা এড়াতে তিনি আগে কিছু টাকা দিলেও সম্প্রতি ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।

এজাহারে বলা হয়, ঘটনার দিন বাসা থেকে ডেবারপাড় বাজারে যাওয়ার পথে কেডিএস বিল্ডিংয়ের পার্কিং এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা ১ থেকে ৪ নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জন তাকে ঘেরাও করে পথরোধ করে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

তারা জানায়, চট্টগ্রাম শহরে ব্যবসা করতে হলে সাংবাদিক পরিচয়ধারী আহমেদ কবীরকে ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে।

চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে অভিযুক্তরা অতর্কিত হামলা চালায়। মারধরে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং নিচের ঠোঁটে কাটা লেগে রক্তাক্ত হন। একপর্যায়ে আহমেদ কবীর তার গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধের চেষ্টা করে এবং দাবিকৃত টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সাত দিনের মধ্যে টাকা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পরে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় ভুক্তভোগী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি খুলশী থানায় মামলা দায়ের করেন।

খুলশী থানার কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here