গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে HIT প্রকল্পের ATF প্রস্তাবনা প্রণয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

0
83
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে HIT-ATF প্রস্তাবনা প্রণয়ন বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ / ছবি - এই বাংলা

গাজীপুর প্রতিনিধি :

দেশের উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন ও উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে “হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (HIT) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (ATF) উপ-প্রকল্পের প্রস্তাবনা প্রণয়ন” শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (IQAC) এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় IQAC সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ জন পিএইচডিধারী শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর ত্বরান্বিত করা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. জে.কে.এম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন IQAC পরিচালক অধ্যাপক ড. নাসরিন আক্তার আইভি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. ময়নুল হক এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম আফরাদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন IQAC-এর অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হান।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

প্রধান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-এর HIT প্রকল্পের উইং ম্যানেজার (গবেষণা সমন্বয় বিশেষজ্ঞ) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান রশিদ।

স্বাগত বক্তব্যে IQAC পরিচালক বলেন, গবেষণায় মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দক্ষ প্রস্তাবনা লেখার কৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষক-গবেষকদের সক্ষমতা আরও বাড়াবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, উচ্চশিক্ষায় টেকসই পরিবর্তন আনতে উদ্ভাবনী গবেষণা ও মানসম্পন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। ATF-এর সুযোগ কাজে লাগিয়ে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে।

প্রশিক্ষণে ATF অর্জনের ধাপ, উপ-প্রকল্পের ধরন, প্রস্তাবনা তৈরির কৌশল, মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং কার্যকর প্রকল্প ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা তাদের অভিজ্ঞতা ও জিজ্ঞাসা তুলে ধরেন এবং বিশেষজ্ঞরা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পুরো প্রশিক্ষণজুড়ে ছিল আন্তরিক অংশগ্রহণ, একাডেমিক উদ্দীপনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সুস্পষ্ট রূপরেখা।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here