গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নেতৃত্ব ও শ্রমিক অফিসের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিক দলের কয়েকজন নেতা তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।
গোলখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস মোল্লা এবং সদস্য সচিব মো. রফিক প্যাদা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে কমিটি বহাল থাকা সত্ত্বেও জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে হরিদেবপুর ফেরিঘাট শ্রমিক অফিস থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
তাদের দাবি, ঘাটের সভাপতি মো. শাহিন সরদারকেও একইভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতারা বলেন, বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং দলের কঠিন সময়ে সংগঠনের পাশে ছিলেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
তারা আরও অভিযোগ করেন, বর্তমানে শ্রমিক অফিসের নেতৃত্বে এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের রাজনৈতিক অতীত নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং যারা দলের আন্দোলন-সংগ্রামে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেননি। এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা পুনরায় শ্রমিক অফিসের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন বলে জানান।
মো. গিয়াস মোল্লা বলেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে অতীতে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি পুরোপুরি সুস্থ নন বলেও উল্লেখ করেন।
তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অবদান মূল্যায়ন এবং নির্যাতিত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের জন্য কাজ করা নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে দল আরও শক্তিশালী ও সংগঠিত হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

