গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :
পটুয়াখালীর গলাচিপায় পুত্র বধুকে ধর্ষণ, সন্তান প্রসবের পরে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় থানায় মামলা, প্রধান আসামি শ্বশুর, অপহরণকারী লিপি বেগমকে জনকে গ্রেফতার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।
উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বাড়িতে শ্বশুর রুস্তম গাজী কর্তৃক পুত্রবধূ ও ছেলে প্রবাসীর স্ত্রী মোসা. শারমিন বেগমকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) এ ঘটনায় শিশুটির মা শারমিন বেগম (২৫) শ্বশুর রুস্তুম গাজী ও শাশুড়ি হাওয়া বেগমসহ পাঁচজনকে আসামি করে গলাচিপা থানায় মামালা দায়ের করেন।
গ্রেফতার দু’জন হলেন— বাদী শারমিনের শ্বশুর রুস্তুম গাজী ও গলাচিপা নিউ ক্লিনিকের সহায়তাকারী মোসা: লিপি বেগম। থানা পুলিশ জানায়, নবজাতক শিশুটিকে পার্শ্ববর্তী উপজেলার গোছখালী এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) শিশুটিকে পটুয়াখালী নারী ও শিশু কোর্টে পাঠানো হয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ রাত আনুমানিক ১১ থেকে ১২ টা হবে শশুর রুস্তম গাজী রাতের আধারে ছেলে প্রবাসে থাকার সুযোগে পুত্র বধুর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে শশুর রুস্তম গাজী একাধিক বার তাকে ধর্ষণ করে।
এতে করে পুত্রবধূ গর্ভধারণ করে। গত ২৬ মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে গলাচিপা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নিউ লাইফ ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিজারের মাধ্যমে পুত্র বধুর কোলজুরে পুত্র সন্তান জন্মগ্রহন করে। পরের দিন সকালে ৫ নম্বর আসামী লিপি বেগমসহ অজ্ঞাত কিছু লোকজনের মাধ্যমে পুত্র সন্তানটিকে অপহরণ করা হয় বলে জানান বাদী মোসা. শারমিন বেগম।
এবিষয়ে গলাচিপা থানা অফিসার ইনচার্জ মো. জিল্লুর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামিসহ অপহরণকারী লিপি বেগমকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

