আদালতের রায়ে দোকানঘর ফিরে পেলেও পুনরায় তালা দেওয়ার অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে প্রতিকার দাবি

ঈশ্বরদী (পাবনা ) প্রতিনিধি :

 

পাবনার ঈশ্বরদীতে আদালতের রায় ও প্রশাসনের মাধ্যমে দোকানঘর বুঝে পাওয়ার পরও পুনরায় সেটিতে তালা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।

রোববার (৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় শহরের থানাপাড়া এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঈশ্বরদী পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী রোকেয়া সুলতানা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার স্বামীর পৈতৃক সূত্রে খতিয়ান নং-২১ এবং সংশোধিত দাগ নং-১৫৪ এর আওতাধীন ০.০৯৬ শতাংশ জমির মালিকানা ছিল। ওই সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলার পর ২০১১ সালে পাবনা যুগ্ম জেলা জজ আদালত তার পক্ষে রায় দেন।

তিনি দাবি করেন, আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তার দোকানঘর অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়। পরবর্তীতে দোকানঘর বুঝে পাওয়ার জন্য উচ্ছেদ মামলা দায়ের করলে চলতি বছরের ১৭ মে আদালত আবারও তার পক্ষে রায় প্রদান করেন।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

রোকেয়া সুলতানা বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৭ মে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া (ঢাক-ঢোল পিটিয়ে এবং লাল পতাকা টাঙিয়ে দিয়ে)সম্পন্ন করে দোকানঘর তাকে বুঝিয়ে দেন। এরপর তিনি সেখানে সংস্কার কাজ শুরু করেন।আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত, আমার স্বামী সাহান মন্ডল একজন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন । এজন্য কি আমার দোকান ঘর দখল হবে । আদালতের রায় আমার পক্ষে থাকার পরেও কেন আমার দোকান ফিরিয়ে পাব না ।

তবে তার অভিযোগ, গত ৭ জুন বিকেলে আনার কলি, ডা. আনোয়ার হোসেন, আওয়াল কবির, শিশিরসহ কয়েকজন ব্যক্তি এসে সংস্কার কাজ বন্ধ করে দেন এবং দোকানঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন।

এ ঘটনায় তিনি একই দিন ঈশ্বরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৪৪১) দায়ের করেছেন বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে রোকেয়া সুলতানা আরও অভিযোগ করেন, আদালতের রায় ও প্রশাসনিক নির্দেশনা উপেক্ষা করে তার সম্পত্তি পুনরায় দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানান।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসাদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here