সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি :
আগামীতে বিঘায় ৬০ মন ধান ফলন হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম।
তিনি বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ২০২৫-২০২৬ বোরো মৌসুমে স্থাপিত প্রদর্শনী প্লটে চাষকৃত ব্রি ধান-১০২ জাতের ধান কাটার উৎসব ও মাঠ দিবসে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে
এসব কথা বলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম আরো বলেন, এই জাতের ভাতের ভিতরে পুষ্টি বেশি থাকে তাই বেশি বেশি ধান চাষ করুন। ব্রি ধান-১০২ আধুনিক ও উচ্চ ফলনশীল হওয়ায় এই অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ১০২ ধানে জিংক ও পুষ্টি রয়েছে। তাই এ জাত চাষ করুন।
তিনি আরো বলেন, সার বেশি প্রয়োগ করলে ফলন ভালো হবে তা কিন্তু ঠিক নয়। সঠিক ভাবে জেনে সঠিক পরিমাপে করুন। ভুট্রা চাষ কম করতে হবে। কারন এ ভুট্রা রাক্ষসী গাছ। এক সময় কৃষকদের পায়ে সেন্ডেল ছিল না। চাষ ও ফলন কম হত। কিন্তু এখন কম জমিতে বেশী ফলন হচ্ছে। কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। বিগত ৩০ বছরে কৃষকরা আধুনিক হয়েছেন। এখন কৃষকরা মোটরবাইক নিয়ে মাঠে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে গাড়ি নিয়ে কৃষকরা মাঠে যাবে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), গাজীপুরের ফলিত গবেষণা বিভাগের আয়োজনে উপজেলার সটুরিয়া নামক স্থানে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে এই কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের চিপ সাইন্টিফিক অফিসার ডক্টর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক গোলাম মোস্তফা খান, ( ভারপ্রাপ্ত), ঢাকা অঞ্চল, মানিকগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক শাহজাহান সিরাজ, ঢাকা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক মো: কাইয়ুম চৌধুরী, সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা: তানিয়া তাবাসসুম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার মোসাম্মদ শামসুন্নাহারসহ আরো অনেকেই।
পার্টনার (PARTNER) প্রকল্প ও ব্রি অঙ্গ-এর অর্থায়নে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষকদের উচ্চ ফলনশীল এই ধানের জাত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিস।
মাঠ দিবসের আগে অতিথিরা ব্রি ১০২ ধান পদর্শনী প্লটে ধান কর্তন করেন। পরে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় শতাধিক কৃষক – কৃষাণী ও জেলা ও উপজেলা কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশ গ্রহণ করেন।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

