
রংপুর প্রতিনিধি :
রংপুরে কয়েক লাখ মুসল্লির অংশগ্রহণে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী বিভাগীয় ইজতেমার প্রথম দিনেই দুই মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। ইজতেমা মাঠে বয়সজনিত জটিলতা ও শ্বাসকষ্টে তাঁদের মৃত্যু হয় বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। কর্তৃপক্ষ উভয় ঘটনাকেই স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করেছে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইজতেমা মাঠের ৬ নম্বর হালকার জিম্মাদার ইঞ্জিনিয়ার আবুল হোসেন এবং রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পশুরাম থানার ওসি মাইদুল ইসলাম।
মারা যাওয়া দুই মুসল্লিসাঈদুর রহমান, পীরগঞ্জ, রংপুর, তারা মিয়া, টাঙ্গাইল — যিনি ৪০ দিনের চিল্লায় এসে ইজতেমায় অংশ নিয়েছিলেন, ইজতেমা ময়দানে জানাজা শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ইজতেমা মাঠে গতকাল রাত থেকেই তিল ধারণের ঠাঁই নেই। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পূর্ণ হয়ে যায়।
আজ ভোরে মাওলানা আব্দুল কাদেরের আম বয়ানের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী ইজতেমার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
আয়োজকদের ধারণা—শুক্রবার জুমার নামাজে আরও বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সমাগম ঘটবে।আগামী শনিবার দুপুর ১২টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে ইজতেমা।
আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, রংপুর বিভাগের আট জেলার তাবলিগ সাথিদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলার ৪০ দিনের চিল্লায় থাকা ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়েছেন। একই সঙ্গে ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ২০০ মেহমান ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।
ইজতেমা মাঠে আলোকসজ্জা, পানি সরবরাহ, অজু-গোসলের ব্যবস্থা, চিকিৎসাসহ সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব ও স্বেচ্ছাসেবকেরা দিনরাত কাজ করছে।
রংপুর মেট্রোপলিটন থানার ওসি মাইদুল ইসলাম বলেন, “ইজতেমা মাঠে দুজন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। দুজনের মৃত্যুই স্বাভাবিক। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী জানান, “প্রথমবার বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজিত ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে।”
এই বাংলা/এমএস
টপিক
