কুড়িগ্রামে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই, কিছু স্তরে সংকট

নতুন বছরের প্রথম দিনেই বই পেলো কুড়িগ্রামের শিক্ষার্থীরা / ছবি - এই বাংলা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :


বছরের প্রথম দিনেই কুড়িগ্রামের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকাল থেকে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়।

কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নাজির হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম এবং বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোছা. গোলেনুর বেগম।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

বই বিতরণের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৯টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ২৪০টি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির জন্য ৪৩ হাজার ৭৯০টি এবং প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ১২ লাখ ৬৫ হাজার ৯৪৯টি বইয়ের চাহিদা ছিল। এর বিপরীতে শতভাগ বই পাওয়া গেছে।

তবে মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা স্তরে বই প্রাপ্তিতে ঘাটতি রয়েছে। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত মোট বরাদ্দ ছিল ১৫ লাখ ৭২ হাজার ৪৯০টি বই। এর মধ্যে পাওয়া গেছে ৯ লাখ ১ হাজার ৮৩৬টি, যা প্রায় ৬০ শতাংশ।

এদিকে, কুড়িগ্রাম জেলার দাখিল মাদ্রাসাগুলোতে চাহিদা ছিল ৮ লাখ ৮১ হাজার ১৫৬টি বই, যার বিপরীতে পাওয়া গেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৩৮টি—মাত্র ৩৩ শতাংশ। তবে এবতেদায়ি শাখায় চাহিদা ছিল ৬ লাখ ৫২ হাজার ২১০টি বই, যার মধ্যে পাওয়া গেছে ৫ লাখ ৬২ হাজার ২১০টি, অর্থাৎ প্রায় ৮৮ শতাংশ।

এছাড়া কুড়িগ্রাম জেলায় এসএসসি ভোকেশনাল পর্যায়ে চাহিদা ছিল ৭৭ হাজার ৭৬৩টি বই। দাখিল ভোকেশনালের জন্য ৪ হাজার ৬৫০টি বই শতভাগ সরবরাহ করা হয়েছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিক স্তরে বই সরবরাহ সন্তোষজনক হলেও মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা স্তরে দ্রুত বাকি বই সরবরাহ করা না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here