ছাত্রশিবিরের উত্থান রুখতে চাই মেধা ও ইতিবাচক রাজনীতি

শিবিরকে হারাইতে হলে মেধাবী হইতে হবে, ছাত্রদের অধিকার নিয়া কনস্ট্রাকটিভ রাজনীতি করতে হবে, আর দেখতে শুনতেও ব্যক্তিত্ববান কিউট সুইট টাইপের হইতে হবে। গুণ্ডা গুণ্ডা ভাব থাকলে আর হবে না।

0
165
ড. মির্জা গালিব | ছবি - সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের একচেটিয়া বিজয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ছাত্রশিবিরকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত করতে হলে মেধা, গঠনমূলক রাজনীতি ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব।

আজ শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘ চাকসুতে ২৬টি পদের মধ্যে ২৪টি শিবিরের প্যানেল পাইছে আর রাকসুতে ২৩ এর মধ্যে ২০। ছাত্রদল ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু- সব মিলায়ে পাইছে শুধু একটা এজিএস। এই যে সারা দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ তরুণীদের একচেটিয়া সাপোর্ট পাইতেছে শিবির- এইটা এক নতুন বাংলাদেশের গল্প বলতেছে।’

ড. গালিবের মতে, ‘অছাত্র, বয়স্ক ছাত্র, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, চিৎকার চেচামেচি করা পুরাতন রাজনৈতিক স্টাইল দিয়া আর রাজনীতি করা যাবে না। শিবিরকে হারাইতে হলে মেধাবী হইতে হবে, ছাত্রদের অধিকার নিয়া কনস্ট্রাকটিভ রাজনীতি করতে হবে, আর দেখতে শুনতেও ব্যক্তিত্ববান কিউট সুইট টাইপের হইতে হবে। গুণ্ডা গুণ্ডা ভাব থাকলে আর হবে না।’

তিনি পরিশেষে বলেন, ‘এমন এক বাংলাদেশই তো আমরা চাইছিলাম আমাদের সারাটা জীবন ধরে।’

এদিকে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন ২০২৫-এ কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ২৩ পদের মধ্যে ২০টিতে জয়লাভ করেছে ছাত্রশিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এফ নজরুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here