কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৬ প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনেও বিএনপি ও জামায়াতের সঙ্গে শরিক দলগুলোর আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত না হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরণের অনিশ্চয়তা ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-১ আসনে ৯ জন, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ১১ জন, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ৮ জন এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ৮ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
জানা গেছে, বিএনপির দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বাইরে দলের আরও তিন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে কুড়িগ্রাম-১ আসনে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শামিমা রহমান আপন এবং ড্যাবের যুগ্ম মহাসচিব চিকিৎসক ইউনুস আলী, কুড়িগ্রাম-৩ আসন থেকে বিএনপির রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া শামিমা রহমান আপন কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিএনপির দলীয় প্রার্থী সাইফুর রহমান রানার স্ত্রী।
এদিকে কুড়িগ্রাম জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের কোনোটিতেই বিএনপির শরিক দলগুলোকে আসন ছেড়ে দেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
কুড়িগ্রাম জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, দলীয় প্রার্থীর বাইরে অন্য কোনো নেতা স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হননি।
এর আগে কুড়িগ্রাম-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ হারিসুল বারী রনি এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রার্থী ড. আতিক মুজাহিদ জোটের প্রার্থী হতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত জোটের শরিক দলগুলোকে আসন ছেড়ে দেওয়া হয়নি বলে দাবি উঠেছে।
জোটের শরিকদের জন্য আসন ছাড়ার বিষয়টি অস্বীকার করে কুড়িগ্রাম-১ আসনে কুড়িগ্রাম জামায়াতে ইসলামী সহকারী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনে কুড়িগ্রাম জামায়াতের এডভোকেট ইয়াসিন আলী মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তারা দাবি করেন, এখন পর্যন্ত দল থেকে চূড়ান্তভাবে শরিক দলগুলোর কাউকে কোনো আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

