ডেস্ক নিউজ :
ব্যক্তিগত সেঞ্চুরি তো দূরের কথা—বাংলাদেশ-পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজে কোনো দলের স্কোরই ছুঁতে পারছে না শতরান। তারপরও লো-স্কোরিং এই সিরিজেই দেখা মিলছে রোমাঞ্চ আর ধাপ্পাবাজির মতো ম্যাচের। তবে আজ কক্সবাজারে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ জিতেছে একেবারে হেসেখেলে।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
৩ ডিসেম্বর সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১৩ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই ধাক্কার পর বদলে গেছে স্বাগতিকরা। ৫ ডিসেম্বর ৩ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা আনার পর আজ আরও আত্মবিশ্বাসী দল দেখা গেল মাঠে। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের দাপুটে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
কক্সবাজার একাডেমি মাঠে ৮৭ রানের সহজ লক্ষ্যও একসময় কঠিন হয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশের জন্য। মাত্র ২.৩ ওভারে ৮ রানেই পড়ে যায় দুই ওপেনারের উইকেট—অরিত্রি নির্জনা মণ্ডল (৩) ও সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা (৪)।
চাপের মুহূর্তে অধিনায়ক সাদিয়া ইসলাম সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তৃতীয় উইকেটে অচেনা জান্নাত এমন্তকে সঙ্গে নিয়ে গড়েন ৪৫ রানের মূল্যবান জুটি। ২৮ বলে ৩৫ রানের ইনিংস দিয়ে দলকে জয়ের পথে রাখেন তিনি। তার ব্যাটে ছিল তিনটি করে চার ও ছক্কার শট। ম্যাচসেরা হয়েছেন এই অধিনায়কই।
সাদিয়া আউট হওয়ার পরও অচেনা এবং মাইমুনা নাহার স্বর্ণামণি চতুর্থ উইকেটে ৩৪ রানের অপরাজিত জুটি গড়ে দলকে ১৩.৩ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। পাকিস্তানের তিন বোলার—মাহনুর জেব, রোজিনা আকরাম ও মেমুনা খালিদ একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং করে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে মাত্র ৮৬ রান। ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে অধিনায়ক ইমান নাসের করেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রান।
বাংলাদেশের হয়ে হাবিবা ইসলাম ও অতশী মজুমদার দুজনই নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। বোলারদের ধারাবাহিকতার সামনে পাকিস্তানের ব্যাটাররা পুরো ইনিংসেই ছিল চাপে।
পাঁচ ম্যাচের সিরিজের বাকি দুই টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে একই ভেন্যু কক্সবাজারে—১০ ডিসেম্বর চতুর্থ ম্যাচ, আর ১২ ডিসেম্বর সিরিজের শেষ ম্যাচ।
সিরিজে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ চাইবে পরের ম্যাচেই ট্রফি নিশ্চিত করতে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

