পলাতক ও দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য প্রচারে এনসিএসএ’র সতর্কতা

0
135

অনলাইন ডেস্ক :

দেশের বিভিন্ন ডিজিটাল ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পলাতক ও দণ্ডিত আসামিদের দেওয়া মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব বক্তব্য সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

সোমবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে এনসিএসএ জানায়, গত এক সপ্তাহ ধরে নানা প্ল্যাটফর্মে এমন সব ঘৃণামূলক ও দাঙ্গা উসকানি-সৃষ্টিকারী তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা সহিংসতার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে এবং বিশৃঙ্খলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছে। ৪৫৩ পৃষ্ঠার ওই রায়ে দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এনসিএসএ বলছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য বা বিবৃতি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এসব বক্তব্যে সহিংসতার আহ্বান থাকায় এগুলো নতুন করে সহিংসতা, নাশকতা ও অপরাধপ্রবণতা বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করছে।

সাইবার সিকিউরিটি অর্ডিন্যান্স ২০২৫-এর ২৬(১) ধারায় উল্লেখ আছে—ইচ্ছাকৃতভাবে বা ভুয়া পরিচয়ে সাইবার মাধ্যমে প্রবেশ করে ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রচার এবং সহিংসতা বা অপরাধ উসকে দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। একই ধারার ২৬(২) অনুযায়ী, এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এনসিএসএ জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা সহিংসতা উসকে দেওয়া কনটেন্ট বাদ দেওয়া, ব্লক করা বা অপসারণের ব্যবস্থা নিতে পারে। এনসিএসএ মহাপরিচালকের মাধ্যমে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব। প্রয়োজনে বিটিআরসিকেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে অনুরোধ জানানো হবে।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here