ব্রাহ্মণ বাড়ীয়ায় ২৫৪কেজি গাঁজা ও ৭৯০ পিস ইয়াবা জব্দ গ্রেফতার ২

0
143
৭৯০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারী গ্রেফতার / ছবি - এই বাংলা প্রতিনিধি

নাসির নগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ ১৫ নভেম্বর রাতে একটি অভিযান চালিয়ে ৭৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। এ সময় দুই জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

অভিযানটি থানা এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালনা করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবা উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন জুনাইদ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, জুনাইদের বিরুদ্ধে পূর্বে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের নাম ও ঠিকানা হলো— রবিউল আলম সিদ্দিকী (২৬) পিতা মোহাম্মদ সিদ্দিক, মাতা মৃত আম্বিয়া খাতুন, সংস্হিত পশ্চিম সাত ঘরিয়া পাড়া এবং জুনাইদ (২৫) পিতা শাহ আলম, মাতা  মনোয়ারা বেগম, সংস্হিত পূর্বপানখালী হোয়াকিয়া পাড়া, উভয় থানা টেকনাফ, জেলা কক্সবাজার। বিষয়টি নিয়ে বাঞ্ছারামপুর থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে।

অন্যদিকে. একই সময়ে জেলার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নে পরপর দুই দিনে পৃথক অভিযানে প্রায় সাড়ে ছয় মন (২৫৪.৫ কেজি) গাঁজা উদ্ধার করেছে ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (ব়্যার)-০৯ ও কসবা থানা পুলিশ। ১৫ নভেম্বর বিকালে ব়্যার-৯, সিপিসি-১ একটি অভিযান চালিয়ে মো. মেহেদী হাসান (২৪) কে আটক করে। তার জবানবন্দীর ভিত্তিতে পাঁচটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে মোট ১৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ব়্যাবের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত মেহেদীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তার আগের দিন, ১৪ নভেম্বর ভোরে কসবা থানা পুলিশ বায়েক ইউনিয়নের কান্দারপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১৪ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন ইলেন মিয়া (২৫) এবং কামরুল (২৭)। উভয়কে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজা স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পরপর দুই দিনে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার প্রশংসা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী। তারা মনে করছেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় একটি সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেট কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাই প্রশাসনের প্রতি বিশেষ নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই বাংলা/এমএস

টপিক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here