ভাঙ্গায় জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধের অভিযোগ, চরম ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টার :

 

ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের সাঁওতার গ্রামে হাজী লাল মিয়া মসজিদের পাশের একটি জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা গাছের ডাল বেড়া ও বাস দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সোনা মিয়া নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিনের ব্যবহৃত এই রাস্তাটি বন্ধ হওয়ায় মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বর্তমানে ওই পথ দিয়ে পণ্যবাহী ভ্যান বা ইজিবাইক চলাচল করতে পারছে না।

রাস্তা বন্ধের বিষয়ে অভিযুক্ত সোনা মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে বেড়াটি তিনিই দিয়েছেন। তবে এর পেছনে ভিন্ন যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, *”এই রাস্তার পুরো জায়গাটি আমার রেকর্ডিও জমির ভেতরে পড়েছে।

মসজিদ পক্ষ কবরস্থানের বাউন্ডারি করার সময় কোনো জায়গা না রেখেই কাজ শুরু করেছে। আমি ইচ্ছা করেই বেড়া দিয়েছি যেন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আসেন এবং এই জায়গার একটি স্থায়ী সমাধান করেন। সমাধানের লক্ষ্যেই আমি এই পথটি সাময়িকভাবে আটকেছি।

দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন

স্থানীয়রা জানান, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়াত করেন। বাজার থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহনের একমাত্র মাধ্যম এই পথটি বন্ধ হওয়ায় পণ্য আনা-নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভ্যান চালকরা এখন আর এই পথে আসতে পারছেন না।

​জায়গাটির পৈত্রিক মালিকানা দাবি করে মালেক শিকদার বলেন, এসএ ও আরএস পর্চা অনুযায়ী এই জমির প্রকৃত মালিক আমার পূর্বপুরুষরা। সোনা মিয়া বিএস রেকর্ডের সুযোগ নিয়ে এবং প্রভাব খাটিয়ে জায়গাটি দখলে রেখেছেন। মামলা চলাকালীন অবস্থায় এভাবে মানুষের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি জনগণের স্বার্থে আরও জায়গা ছাড়তে রাজি, কিন্তু চলাচলের পথ বন্ধ করার প্রতিবাদ জানাই।

কবরস্থান নির্মাণের উদ্যোক্তা তৌহিদুর রহমান বিল্লা বলেন,আমি আমার পৈত্রিক জমিতে কবরস্থান করছি এবং জনগণের সুবিধার কথা চিন্তা করে মূল রাস্তা থেকে ৪ ফুট ভেতর দিয়ে বাউন্ডারি দিয়েছি। অথচ সোনা মিয়া রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে মানুষের কাছে মিথ্যা প্রচার করছেন যে এই বেড়া নাকি আমি দিয়েছি। আমি চাই দ্রুত এর সুষ্ঠু সমাধান হোক এবং রাস্তাটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।

এই বাংলা/এমএস

টপিক 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here