নগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে মামুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো, জিয়ারত হোসেনের বিরুদ্ধে।
সে ওই ইঊনিয়নের জয়ভোগ গ্রামের মৃত জাবেদ আলীর ছেলে। ভূক্তভূগি কৃষক মো. উমেজ উদ্দিন এ বিয়য়ে বাদি হয়ে নাগরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায় করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯/১২/ ২৭ সাল বাংলা ১৩৩৪ সনে জমির মালিক শ্রী মহানন্দ বর্দ্ধন, পিতা স্বগিয় আনন্দ মোহন বর্দ্ধন তাদের ৫১ খতিয়ানে ২৫৪-২৭৩ দাগে ৩ শতাংশ ও ২৫৪-২৭৪ দাগে ৪ শতাংশ সহ মোট ৭ শতাংশ জমি বিক্রয় করেন মঙ্গল সেকের কাছে ।
তৎকালিন ১৯৬১ সাল ১৫ই মার্চ পর্যন্ত কোন সাবকওলা দলিল হত না। তাই ভারতীয় মূত্রায় আঠানা মূল্যের নন ষ্ট্যাডামের মাধ্যমে ওই জমির মঙ্গল সেক কিনে নেন। পরবর্তীতে ১১৫ খতিয়ানে ৪০৪ ও ৪০৫ দাগে ৭ শতাংশ জমি মঙ্গল আলীর নামে রের্কড হয়।
ওই জমি মঙ্গল আলীর ছেলে উমেজ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। স্বল্প সময়ের মধ্যে উমেজ উদ্দিনের ভাই ভাতিজাসহ ৪জন মারা গেলে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়ে।
এই সুযোগে ৩ শতাংশ জমি ভূমিদূস্য জিয়ারতের বাড়ির সংলগ্ন হওয়ায় জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। জিয়ারত তার বাহিনী নিয়ে প্রায় ৩ যুগ আগে রাতের আধারে উমেজ উদ্দিনের ঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। আগুন দেয়ার ঘটনায় এলাকার গণ্যম্যান্য ব্যাক্তিবর্গের উপস্থিতে শালিশি বৈঠকে জিয়ারত ৭ হাজার টাকা জরিমানা দেন।
বর্তমানে জিয়ারত ওই জরিমানার ৭ হাজার টাকাকেই জমি ক্রয়ের নামে প্রচার করে এলাকায়। ২৮-০৩-২৬ তারিখে মো, জিয়ারত হোসেন তার লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে ওই কৃষকের জায়গা বেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করে। আওয়ামীলীগ আমলে এলাকায় ত্রাসের সর্গরাজ্য কায়েম করতেন জিয়ারত হোসেন।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
জিয়ারত জয়ভোগ এলাকার সমাজের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে আসছে। সেআগামী ইউপি নির্বাচনে মামুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেও প্রচার প্রচারনা করে আসছেন।
জিয়ারত হোসেন ২৪/১০/১৮ সালে আ. হালিম নামে এক যুবকে দিনের বেলায় কুপিয়ে জক্ষম করে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ওই ঘটনায় বাবুল হোসেন বাদি হয়ে নাগরপুর থানায় জিয়ারতসহ ২০ জনের নামে হত্যা চেষ্ঠা মামলা দায়ের করেন। নাগরপুর থানার মামলা নং ১৩, তারিখ ২৯. ১০. ২০১৮ইং।
ভূক্তভূগি উমেজ উদ্দিন বলেন, জিয়ারত ও তার বাহিনী নিয়ে আমাদের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেই। ওই সময় বিভিন্ন এলাকার গণ্যম্যান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিতে জিয়ারত ৭ হাজার টাকা জরিমানা দেয়। জিয়ারত ওই জরিমানার টাকাকে জমি ক্রয়ের টাকা বরে প্রচার করে ওই জমি দখল করতে চাই।
এবিষয়ে জানতে চাইলে, জিয়ারত হোসেন ৩ শতাংশ জমি আমি ৭হাজার টাকায় কিনে নিয়েছেন বলে দাবি করলেও জমির কোন দলিল ও কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই তিনি। তবে সমাধানের স্বার্থে সে নতুন করে কিনে নিতে চান বলেও জানান।
জমিজমা বিষয়ে মামুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ জজ কামাল কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোন পক্ষ আমার কাছে আসে নাই। এবিষয়টি আমার জানা নেই।
এই বাংলা/এমএস
টপিক

