
ববি প্রতিনিধি :
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত এই আয়োজনে কয়েক হাজার নবীন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ।
ভিডিও বার্তায় ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, তুলনামূলক নতুন হলেও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে সমাজে একটি সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী হতে পারা নবীনদের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীরাই সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী অনুপ্রেরণা। শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতিতে রূপান্তরের উদাহরণ টেনে তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
নবীনদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এমন এক শিক্ষাঙ্গন, যেখানে শিক্ষার্থীদের মনন ও মানসিকতার বিকাশ ঘটবে এবং স্বপ্নগুলো বাস্তবে রূপ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। একই সঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দেশ ও জাতি শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে আছে—এ কথা মাথায় রেখে ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। তিনি এই বয়সকে সতর্ক থাকার সময় হিসেবে উল্লেখ করে ইতিবাচক ও লক্ষ্যভিত্তিক থাকার আহ্বান জানান।
ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল। বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. হাফিজ আশরাফুল হক।
শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেরাজ হোসেন চিশতি, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের উম্মে হাফসা, ইংরেজি বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী সাবেকুন্নাহার নিপা এবং প্রাণ রসায়ন ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের মো. শাহাদাৎ।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নবীনবরণ উপলক্ষে বিকেল ৩টায় একই মাঠে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে গান, নৃত্য ও বিভিন্ন পরিবেশনায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।
এই বাংলা/এমএস
টপিক
