
নীলফামারী প্রতিনিধি :
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও গোপনে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তুলে শিক্ষক, কর্মচারী ও স্থানীয়রা বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনটি দুপুরে কলেজ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অবসরে যাওয়ার পর তৎকালীন গয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহিমের ছেলে ফরহাদ হোসেন দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কমিটি গঠন, নিয়োগসহ নানা ক্ষেত্রে অনিয়ম শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, ২০১১ সালে এডহক কমিটির ছয়জন সদস্য দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপর প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো, একাডেমিক কার্যক্রম ও পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে অবনতি দেখা দেয়।
দৈনিক এই বাংলার সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ দায়ের হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্তে অনিয়মের সত্যতা পান এবং তাকে অব্যাহতি প্রদান করেন। এরপর সহকারী অধ্যাপক কামরুজ্জামানকে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
তবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আদালতে মামলা ও আপিল থাকা সত্ত্বেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে কোনো কার্যক্রম হয়নি। বরং ২০১৭ সালে নিয়মিত কমিটির স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকার বিনিময়ে আটজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগপ্রাপ্তরা কখনো হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেননি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য বদিউজ্জামান, শিক্ষক শামসুল আলম, গোলাম মোস্তফা, হুমায়রা বেগম, ফিরোজুল ইসলাম, অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমানসহ অন্যান্য শিক্ষক ও স্থানীয়রা।
এই বাংলা/এমএস
টপিক
